সিদ্ধিরগঞ্জ সংবাদদাতা
টাকা হলে অনিয়মকে নিয়মে পরিণত করে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি। টাকার কাছে মুহূর্তেই অনিয়মকে নিয়মে রূপ দেয় ডিপিডিসির কর্মকর্তারা। বহুতল ভবনে এসটি (সাব-স্টেশন) লাইন দেয়ারনিয়ম থাকলেও সিদ্ধিরগঞ্জে তা মানা হচ্ছেনা। দুই বছরের চুক্তি করে এসটি লাইনে বহুতল ভবনে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসি। এনসিসি ১নং ওয়ার্ড ঘুরে দেখা যায়, হীরাঝিল আবাসিক এলাকা ও পাইনাদী নতুন মহল্লা এলাকায় ১০তলা বহুতল ভবনে এসটি বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে যুগের পর যুগ পার করছে ভবন মালিকরা। স্ট্র্যাম্পের মাধ্যমে ডিপিডিসির কাছ থেকে ২ বছরের জন্য এসটি লাইন সংযোগ নিয়েছে অসংখ্য ভবন মালিক। পরে শর্ত অনুযায়ী ২ বছর পর ভবনে এসটি সংযোগ নেওয়ার কথা থাকলেও এসব ভবন মালিক আর এসটি করেনি। তবে সিদ্ধিরগঞ্জ ডিপিডিসির কর্মকর্তাদের ৩ লাখ টাকার ঘুষের বিনিময়ে চলছে এসব অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন গ্রাহক জানান, চুক্তি ভিত্তিক এসটি লাইন নিতে ডিপিডিসির কর্মকর্তাদের কয়েক লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। ঘুষের টাকা না দিলে মিলে না সংযোগ। এমনকি দুই বছর মেয়াদ চুক্তিটি আর শেষ হয়না। বহুতল ভবনে নিজস্ব সাব-স্টেশন থাকার নিয়ম থাকলেও সিদ্ধিরগঞ্জে তা মানা হচ্ছে না। মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে সাব-স্টেশন ছাড়াই বহুতল ভবনে দেয়া হচ্ছে সংযোগ। এতে করে একদিকে যেমন রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার অন্যদিকে ঝুঁকিতে চলছে বহুতল ভবনের বিদ্যুৎ সংযোগ। সিদ্ধিরগঞ্জে রয়েছে অসংখ্যকারখানা এবং অটোরিকশার গ্যারেজ। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, অধিকাংশ কারখানা ও গ্যারেজে মোটা অংকের ঘুষের বিনিময়ে দেয়া হয় বিদ্যুৎ সংযোগ। এমনকি প্রতি মাসে মাসোহারার বিনিময়ে এসব প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ইউনিট চুরিতে সহযোগিতা করে মিটার রিডাররা। এসব মাসোহারার টাকার ভাগ পায় ডিপিডিসির কর্মকর্তারা। এসব অনিয়মের বিষয়ে দুদকের হস্তক্ষেপ কামনা করছে সিদ্ধিরগঞ্জবাসী।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।